Headlines News :

Blogger templates

আড়াই মাস ধরে সূর্য উদিত ফিনল্যান্ডের নুয়রগামে

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, ফিনল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে প্রায় আড়াই মাস সূর্য কখনোই সম্পূর্ণভাবে অস্ত যায় না! ফিনিশ মিটিওরোলজিকাল ইন্সটিটিউটের কর্তব্যরত আবহবিৎ মি. ইয়ারি তইবোনেন জানান, ফিনল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের শহর উতস্‌ইয়কি-এর সর্ব উত্তরের 'নুয়রগাম' গ্রামে সর্বশেষ সূর্যোদয় হয়েছে মে মাসের ১৫ তারিখে রাত্র ০১:৩২ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে আগামী ২৯ জুলাই রাত্র ১২টা ৪২ মিনিটে। তবে এ বছর প্রকৃত মধ্যরাতের সূর্য দেখা যায় ২০ জুন শনিবার।
এর ফলে এ সময়গুলোতে রাতের অন্ধকারের পরিবর্তনে গোধূলির ম্লান আলো বজায় থাকে সারারাত। এ অঞ্চলের উত্তরাংশেও বছরে দুই-আড়াই মাস সূর্য কখনোই সম্পূর্ণ অস্ত যায় না। প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক এখানে এই আশ্চর্য অলৌকিক মহাজাগতিক দৃশ্য দেখার জন্য আসেন। রাতের বেলা সূর্যের আলো দেখা সত্যিই এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। আবার শীতের ওই দুই-আড়াই মাস সূর্যই ওঠে না!
পৃথিবীর অক্ষরেখা তার সমতলের ২৩.৫ ডিগ্রি ঝুঁকে যাওয়ার ফলে প্রতিটি গোলার্ধ গ্রীষ্মকালে সূর্যের দিকে হেলে থাকে, আবার শীতকালে সেখান থেকে সরে যায়। ফলে সুমেরু ও কুমেরু অঞ্চলে বছরের একটি বিশেষ সময় মধ্যরাতেও সূর্য দেখা যায়। কিন্তু যখন কুমেরু অঞ্চলে শীতকাল, তখন দিন ও রাতের মধ্যে কোনো পার্থক্য করা যায় না। কারণ সূর্য সেখানে ওঠেই না।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, ফিনল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে প্রায় আড়াই মাস সূর্য কখনোই সম্পূর্ণভাবে অস্ত যায় না! ফিনিশ মিটিওরোলজিকাল ইন্সটিটিউটের কর্তব্যরত আবহবিৎ মি. ইয়ারি তইবোনেন জানান, ফিনল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের শহর উতস্‌ইয়কি-এর সর্ব উত্তরের 'নুয়রগাম' গ্রামে সর্বশেষ সূর্যোদয় হয়েছে মে মাসের ১৫ তারিখে রাত্র ০১:৩২ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে আগামী ২৯ জুলাই রাত্র ১২টা ৪২ মিনিটে। তবে এ বছর প্রকৃত মধ্যরাতের সূর্য দেখা যায় ২০ জুন শনিবার। - See more at: http://www.bd-pratidin.com/mixter/2015/06/27/90006#sthash.lSPtEkpw.dpuf

যেখানে ছেলেরা পরে বোরকা, মেয়েরা থাকে খোলামেলা

বিশ্বের সর্ববৃহৎ মরুভূমি সাহারা এলাকায় একটি মাতৃপ্রধান রহস্যময় উপজাতি গোষ্ঠীর খোঁজ পাওয়া গেছে। তুয়ারেগ নামের এ উপজাতি সম্প্রদায়ের ছেলেরা বোরকা পরে থাকে। অন্যদিকে মেয়েরা খোলামেলা হয়ে বেড়ায়। পরিবারের দেখাশুনা ও সম্পদে মেয়েদের কর্তৃত্বই শেষ কথা। কেবল মেয়েরাই বিবাহবহির্ভূত একাধিক যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অধিকার রাখে। বুধবারের ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ খবর দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, চতুর্দশ শতাব্দীর রানী তিন হিনানের মাধ্যমে এ উপজাতি গোষ্ঠীর সূচনা হয়েছে। এখানকার পুরুষরা 'সাহারার নীল মানব' নামে পরিচিত। যাযাবর পুরুষরা নীল রঙের বোরকা পরে সমগ্র শরীর ঢেকে রাখে। ফটোসাংবাদিক হেনরিয়েতা বাটলার ২০০১ সালে মরু অঞ্চলে প্রথম এ ধরনের উপজাতির দেখা পায়। মেয়েরা কেন খোলামেলা থাকে- এমন প্রশ্নের জবাবে তাদের একজন তাকে জানায়, 'পুরুষরা মেয়ের সুন্দর মুখ যাতে দেখতে পায়- সেজন্য এ ব্যবস্থা।' মজার ব্যাপার হচ্ছে, এ উপজাতি নিজেদের ইসলাম ধর্মের অনুসারী বলে দাবি করে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের অন্য কোনো মুসলিম জনগোষ্ঠীর জীবনাচারের সঙ্গে তাদের মিল নেই। এখানকার নারীরাই পুরুষদের ডিভোর্স দেয় এবং বিবাহবহির্ভূত একাধিক যৌন সম্পর্ক করতে পারে। তবে তাদের প্রাচীন প্রথায় এ ব্যবস্থা ছিল না।

........................... সংগ্রহ।

ইঁদুরও স্বপ্ন দেখে



মানুষের মত ইঁদুররাও তাদের মস্তিষ্কে চারপাশের মানচিত্র অংকন করে হিপ্পোক্যাম্পাস দ্বারা। হিপ্পোক্যাম্পাস স্বল্প-স্থায়ী স্মৃতির তথ্যসমূহকে একত্র করে দীর্ঘ-স্থায়ী স্মৃতিতে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সেরিব্রাল কর্টেক্সের নীচে এটি পাওয়া যায়। মানুষের মত ইঁদুররাও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে স্বপ্ন দেখে।
গবেষকরা খুঁজে পেয়েছেন যে, যখন একটি ইঁদুর তার গন্তব্যে পৌঁছতে পারে না তখন সে তার গন্তব্যে পৌঁছোবার জন্য স্বপ্নে একটি মানচিত্র তৈরি করে নেয়।
এই ধরণের গবেষণার ফলে ঘুমের সময় মানুষের স্বপ্নের মধ্যে কিরূপ ক্রিয়াকলাপ চলে সে সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া সম্ভব বলে গবেষকরা মনে করেন।
ইঁদুর একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে যখন থাকে তখন প্লেস সেলস বা অবস্থান কোষ কার্যকর থাকে। ঠিক একইভাবে এই কোষ কাজ করে যখন ইঁদুর ঘুমিয়ে পরে। ঘুমানোর সময় ইঁদুর তার অতীত অবস্থান সম্পর্কে স্বপ্ন দেখে।
গবেষকরা ইঁদুরের উপর একটি গবেষণা করার পর দেখতে পান যে ইঁদুর কেবল তার অতীত অবস্থান সম্পর্কেই স্বপ্ন দেখে না বরং সে একইভাবে ভবিষ্যৎ এ কোথায় যেতে চায় তা নিয়েও স্বপ্ন দেখে।
হিপ্পোক্যাম্পাস আমাদের ভবিষ্যৎ কল্পনা করতে সেইসাথে আমাদের অতীত স্মৃতি এনকোডিং করতে সাহায্য করে।
কিছু মানুষের হিপ্পোক্যাম্পাস ক্ষতিগ্রস হওয়ার ফলে তারা ভবিষ্যৎ ঘটনা সম্পর্কে কল্পনা কিংবা স্বপ্ন দেখতে পারে না।


................................সংগ্রহ।।

পরিযায়ী পাখির উড্ডয়নসূত্র

পরিযায়ী পাখিরা সম্মিলিতভাবে উড়ে চলার পথে একই তালে ডানা ঝাপটায়। উত্তরাঞ্চলীয় গেরোনটিকাস এরেমিটা প্রজাতির সারসজাতীয় পাখির ওপর গবেষণার ভিত্তিতে বিজ্ঞানীরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
 মধ্য ইউরোপে শিকারিদের কবলে পড়ে সপ্তদশ শতকের মাঝামাঝি পর্যায়ে বিলুপ্ত।
 বিলুপ্তির উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন পরিযায়ী পাখি।
 মরক্কোর বনাঞ্চলে এই প্রজাতির প্রায় ৪৫০টি পাখি রয়েছে।
গেরোনটিকাস এরেমিটা
গবেষণার বিষয়
 অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার একটি চিড়িয়াখানায় লালিত ১৪টি পাখি।
 দূরপাল্লার যাত্রাপথ খুঁজে পেতে এদের একটি ক্ষুদ্র আলোকরেখা অনুসরণ করতে শেখানো হয়।
সুপরিচিত ‘ভি’ আকৃতির উড্ডয়নকে পরিযায়ী পাখিদের দীর্ঘ ভ্রমণকালে শক্তি সংরক্ষণের কারণ বিজ্ঞানীরা অনেক আগেই চিহ্নিত করেন, কিন্তু ডানার সুনির্দিষ্ট তাল বজায় রাখার ব্যাপারটি এত দিন পর্যন্ত অজানাই ছিল।
পাখিদের অবস্থান নির্ণয়ে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) প্রযুক্তি ও গতিবৃদ্ধি নির্ণায়ক বিশেষ যন্ত্র ব্যবহূত হয়।
গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার
 নেতার পেছনে অথবা পাশে অবস্থানকারী পাখিরা উড্ডয়নের বাড়তি শক্তি অর্জনের লক্ষ্যে নির্দিষ্ট সময় অন্তর ডানা ঝাপটায়।
উড্ডয়নকালে ৪৩ মিনিটব্যাপী পাখির অবস্থান এবং ডানার প্রতিটি ঝাপটানির তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণ।
ইংল্যান্ডের হার্ডফোর্ডশায়ারের রয়েল ভেটেরিনারি কলেজের গবেষক স্টিফেন পর্টুগালের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই গবেষণা প্রতিবেদন নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
চিড়িয়াখানায় লালিত পাখিদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের ওপর গবেষণাটি করা হয়।
 ঝাপটানির তালের ঠিক পেছনে অবস্থানকারী পাখিরা পতন ঠেকাতে ভিন্ন ধাপে একই তালে ডানা ঝাপটায়। তরঙ্গাকারে ওই তাল সামনে থেকে পেছনের দিকে সঞ্চারিত হয়।
 পাখিরা প্রায়ই অবস্থান পাল্টে ডানা ঝাপটানোর তালের সময় পরিবর্তন করে নিয়ে উড্ডয়নগতিবিষয়ক সুবিধা পায়।
 বাতাসে অন্য পাখিরা কোনো রকম আলোড়ন তৈরি করলেও পরিযায়ী পাখির দলটি টের পায় এবং সম্ভাব্য ওই আলোড়নের ধরন অনুমান করে নেয়।
সূত্র: নেচার/এএফপি

মহাকাশে নিজের নাম পাঠানোর সুযোগ

মহাকাশে যাওয়ার কথা ভাবছেন? অঢেল অর্থ-সম্পত্তি না থাকলে সম্ভব নয়, তবে আপনার নাম কিন্তু মহাকাশে পৌঁছাতে পারেন খুব সহজেই। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান নাসা আপনার নাম মহাকাশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। স্পেস ডটকমের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নাসার গবেষকেরা সারা বিশ্বের সবাইকেই তাদের নাম মহাকাশে পাঠানোর সুযোগ করে দিচ্ছেন। এই নামগুলো একটি বিশেষ মাইক্রোচিপে সংরক্ষণ করে সেটি বিশেষ নভোযানে করে ২০১৬ সালে মহাকাশে পাঠানো হবে। নামসহ গবেষকদের এবারের মিশন পরিচালিত হচ্ছে বেনু নামের একটি গ্রহাণুতে। এটি মনুষ্যবিহীন রোবোটিক্স মিশন।
এক হাজার ৭৬০ ফুট প্রশস্ত গ্রহাণুটিতে দুই বছর রোবোটিক্স মিশন চলবে। এ সময় গ্রহাণুর পৃষ্ঠ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে আবার পৃথিবীতে ফেরত আসবে একটি ক্যাপসুল। গবেষকেরা এই মিশনটির নাম দিয়েছেন ‘অরিজিনস-স্পেকট্রাল ইন্টারপ্রিটেশন রিসোর্স আইডেন্টিফিকেশন সিকিউরিটি রিগোলিথ এক্সপ্লোরার’ (অসিরিস-রেক্স)।
প্রকল্পটির প্রধান কর্মকর্তা অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের  গবেষক ডান্তে লরেটা জানিয়েছেন, ‘আমরা অসিরিস-রেক্স মিশনটি সবার সঙ্গে শেয়ার করতে পেরে রোমাঞ্চিত। মহাকাশে নিজের নাম পাঠানো এবং এই মিশনের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করার অপূর্ব সুযোগ এটি।’
যাঁরা বেনুতে নিজের বার্তা পৌঁছে দিতে চান, তাঁরা এ বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে নাম পাঠানোর সুযোগ পাবেন। নাম পাঠানোর জন্য যেতে হবে এই লিংকটিতে http://www.planetary.org/get-involved/messages/bennu/

লালমাই পাহাড় চূড়ার চণ্ডীমুড়া

কুমিল্লায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যে কয়েকটি তীর্থস্থান রয়েছে তার মধ্যে চণ্ডীমুড়া ঐতিহ্য অন্যতম। কুমিল্লার আঞ্চলিক ভাষায় অপেক্ষাকৃত ছোট পাহাড়কে মুড়া বলা হয়। পাহাড়ের গায়ে সিমেন্টের সিঁড়ি বেয়ে শীর্ষে উঠে মন্দির দেখার আনন্দই আলাদা। কুমিল্লা শহরের প্রায় ১৩ কিলোমিটার পশ্চিমে কুমিল্লা-চাঁদপুর-বরুড়া সড়কের সংযোগস্থলে দেড়'শ ফুট পাহাড়ের উপরে অবস্থিত চন্ডীমুড়া মন্দির। এটি কুমিল্লার অন্যতম একটি দর্শনীয় স্থান। চণ্ডীমুড়ায় ২টি মন্দির পাশাপাশি অবস্থিত। দক্ষিণ পাশের মন্দিরটি চণ্ডী মন্দির ও উত্তর পাশের মন্দিরটির শিব মন্দির। মন্দির দুটো সপ্তম শতাব্দীতে নির্মিত। সপ্তম শতাব্দীর খড়গ বংশীয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী রাজা দেবখড়গের রানী প্রভাবতী একটি হিন্দু মন্দির প্রতিষ্ঠা করে দেবী সর্বাণীর মূর্তি স্থাপন করেছিলেন। রানী প্রভাবতী হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন। চণ্ডীমুড়ার উচ্চতা প্রায় ১৫০ ফুটের উপরে। এর চূড়ায় অবস্থিত এই মন্দির। নিচ থেকে এতে উঠতে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৮০টি সিঁড়ি আছে। সমুদ্র বেষ্টিত পলল গঠিত চত্বর সমভূমি রূপে উদ্ভাসিত মহাতীর্থ চণ্ডীমুড়া, সপ্তম শতাব্দীতে বৌদ্ধরাজ দেবখড়গের স্ত্রী প্রভাবতী দেবী অমরকীর্তি স্থাপনে বদ্ধপরিকর হয়ে ২টি মন্দির স্থাপন করেন। একটি চণ্ডী মন্দির, অপরটি শিব মন্দির। চণ্ডী মন্দিরে অষ্টভুজা সর্বাণী মহা সরস্বতী, অপরটিতে শিবমূর্তি স্থাপন করেন। অদূরে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এক বিশাল দিঘি খনন করেন। বরুড়া থানার অন্তর্গত গোষণা গ্রামের স্বামী আত্ননন্দ গিরি মহারাজ স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে পরিত্যক্ত মন্দিরগুলো পুনঃসংস্কার করেন। বর্তমানে সনাতন ধর্মালম্বী ছাড়াও নানা ধর্মের পর্যটক প্রতিদিনই এই মন্দির পরিদর্শনে আসেন। সরেজমিন দেখা যায়, চণ্ডী মন্দিরের পেছনের দেয়ালে লম্বালম্বিভাবে বেশ বড় ফাটল ধরেছে। মন্দির দুইটিতে নতুন রং করা হলেও ফাটল মেরামতের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখানকার কয়েকজনের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, প্রতি বছর তিনবার চণ্ডীমুড়ায় ভক্তবৃন্দের সমাবেশ ঘটে। কার্তিক মাসের কালীপূজার সময় দেওয়ানি উৎসব, পৌষ-মাঘ মাসে গীতা সম্মেলন এবং ফালগুন-চৈত্র মাসে বাসন্তী মহাঅষ্টমী। আশ্রমের লোকজনসহ আগত ভক্তবৃন্দের বিশ্বাস-মা চণ্ডী দেবীর কৃপা থেকে কেউ খালি হাতে ফেরে না। ১৯৫৫-৫৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের প্রত্নতাত্তি্বক বিভাগ লালমাই-ময়নামতিতে জরিপ চালিয়ে কুমিল্লার প্রত্নতাত্তি্বক যে ৫৪টি স্থান সংরক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট করে তার মধ্যে চণ্ডীমুড়া অন্যতম।

বিচিত্র গোলাপ গাছ

গোলাপ ফুল সবার কাছেই খুব প্রিয়। রকমারি রং আর গন্ধের জন্য গোলাপের খ্যাতি বিশ্বজুড়ে। আকার-আকৃতিতে গোলাপ গাছ সাধারণত খুব বেশি বড় হয় না। কিন্তু পৃথিবীতে এমন এক গোলাপ গাছ রয়েছে, যার বিস্তৃতি ৫ হাজার ৩৮০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে। ব্যাপারটি অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি। হ্যাঁ, 'লডি ব্যাঙ্ক' নামের এমনি একটি গোলাপ গাছের সন্ধান পাওয়া গেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এরিজোনা প্রদেশের টম্বস্টোন নামক জায়গায়। বিরাট দৈত্যের মতো এই গাছটি জন্মেছে একটি গোলাপ গাছের ডাল থেকে। ওই ডালটা ১৮৮৪ সালে স্কটল্যান্ড থেকে আনা হয়েছিল সেখানে। বিচিত্র এই গোলাপ গাছের গুঁড়ির পরিধি কত হয়তো অনেকে কল্পনা করতে পারবে না। এর গুঁড়ির পরিধি ২০ ইঞ্চি আর উচ্চতা ৯ ফুট। গাছের শাখা-প্রশাখা চারদিকে এমনভাবে বিস্তৃত যে, এর ডালপালাগুলো ৬৮টি খুঁটির সাহায্যে মাচার মতো করে রাখা হয়েছে। বলতে পারা যায় যে, সেটা একটা গোলাপের কুঞ্জবন। আর এই গোলাপকুঞ্জের নিচে দশ-কুড়ি জন নয়, একেবারে দেড়শ' জন বসে চুটিয়ে গল্প-গুজব করতে পারেন। সত্যি কি বিচিত্র এই গোলাপ গাছ।

দ্য বিউটি কুইন অব স্পার্টা হেলেন কাহিনী

খ্রিস্টপূর্ব ১২১৪ অব্দে জিউস ও লিডার ঘর আলোকিত করে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে ছোট অথচ ফুটফুটে একটি শিশু। বাবা জিউস কন্যাশিশুর কথা শুনে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান। মা লিডা বারবার চুমো খেতে থাকে ছোট কন্যাশিশু কপালে।

শিশুটির নাম কি রাখা হবে এ নিয়ে যখন সবাই ব্যস্ত, তখন এক জ্যোতিষী শিশুটির নাম রাখলেন হেলেন! আর বললেন নামের কারণেই মেয়েটি পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।



প্রাচীনকালে গ্রিক বিভিন্ন রাজ্যে বিভক্ত ছিল_ স্পার্টা, আর্পস ছিল তার অন্যতম। স্পার্টার রাজার নাম ছিল মেনিলাস, আর্পসের রাজার নাম ছিল আগামেনন। মেনিলাস ও আগামেনন সম্পর্কে ছিল আপন ভাই। মেনিলাসের ছিল একাধিক স্ত্রী। একাধিক স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও সে ছিল ভয়ানক নারীলোভী।

অন্যদিকে জিউসের কন্যা হেলেন আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হেলেনের রূপ-লাবণ্য আর আকর্ষণীয় চাহনির সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। এক সময় স্পার্টার রাজা মেনিলাসের কানেও চলে আসে সেই খবর। হেলেনের জন্য পাগল হয়ে ওঠলেন মেনিলাস। প্রায় ৬০ জন প্রহরী নিয়ে হাজির হয় জিউসের বাড়িতে, রাজার অনুরোধ আর বিনয়ে মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি হয়ে যান জিউস! শুরু হয় নতুন অধ্যায়ের। মেনিলাস বয়সে ৪০ বছরের বড় হলেও জীবনের চেয়ে বেশি ভালোবাসতেন হেলেনকে। মেনিলাস হেলেনের জন্য প্রহরী নিযুক্ত করেন প্রায় ৮০ জন, তার গোসল, খাওয়া-দাওয়া, কাপড়-পরিধান এমনকি চুল আঁচড়ানোর জন্যও সেবিকারা থাকত সদাব্যস্ত। হেলেনের মুখের হাসি দেখার জন্য মেনিলাস নানা উপায় অবলম্বন করতেন, কখনো গোলাপ ফুল, কখনো দামি শাড়ি নিয়ে হাজির হতেন হেলেনের সামনে। নানা আয়োজনে হেলেনকে ভালোবাসতে চাইলেও হেলেন মোটেই ভালোবাসতেন না মেনিলাসকে! সব সময় ভিন্ন কিছু পাওয়ার আশায় উদাসীন থাকতেন হেলেন। কালেভদ্রে হাসি ফুটতো হেলেনের মুখে। নিজেকে সব সময় আড়ালে রাখতেই পছন্দ করতেন তিনি। নিজের মনের কথা কখনো কাউকে খুলে বলতেন না।

গ্রিক ও ট্রয় (বর্তমান তুরস্ক) পাশাপাশি দুটি রাষ্ট্র; কিন্তু মধ্যে ছিল এজিয়ান নামক বিখ্যাত সাগর। ১২৩০ সালের দিকে ট্রয়ের রাজপুত্র প্যারিস ও হেক্টর আসে স্পার্টায় ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি সম্পন্ন করার জন্য। স্পার্টার রাজা মেনিলাস প্যারিস ও হেক্টরকে সাদরে সম্বোধন জানায়। তাদের আগমনে রাজ্যকে লাল-নীল বাতিতে চমৎকারভাবে সাজানো হয়। নৈশভোজের বিপুল সমারোহের পর প্যারিস ও হেক্টরকে সবার সঙ্গেই পরিচয় করিয়ে দেন রাজা মেনিলাস। এক পর্যায়ে হেলেনের সঙ্গে পরিচয় ঘটে রাজপুত্র প্যারিসের। ব্যবসায়িক আলোচনার জন্য স্পার্টায় বিশদিন থাকার প্রয়োজন হয়ে পড়ে প্যাসিস ও হেক্টরের। হেক্টর ও মেনিলাস বেশি ব্যস্ত থাকতেন ব্যবসা-বাণিজ্যের চুক্তি নিয়ে। আর গোপনে সবার চক্ষুর আড়ালে প্যারিস দেখা করতেন হেলেনের সঙ্গে। প্যারিসের চেহারা, গায়ের গড়ন, শরীর কাঠামো সবকিছুই হেলেনকে বিমোহিত করে, প্রথমে রাজি না থাকলেও আস্তে আস্তে প্যারিসের প্রতি প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে পড়েন হেলেন। যাই হোক নির্ধারিত সময় শেষে ট্রয়ে ফিরে যাবেন হেক্টর ও প্যারিস। ভোর হলেই তারা রওনা দেবেন ট্রয়ের উদ্দেশে। রাজা মেনিলাসের আপ্যায়নের কোনো কমতি নেই। খাবার-দাবার আর সুন্দরী রমনীদের নাচের দৃশ্য সাজিয়েছে শেষ নৈশভোজ। নর-নারী, প্রহরী ও হেক্টর, রাজা ও ট্রয়ের অতিথিরা যখন আমোদ-প্রমোদ আর নাচ-গান নিয়ে ব্যস্ত তখন প্যারিস গোপনে চুপিসারে যান হেলেনের ঘরে। নিবিড় আলিঙ্গনে জড়িয়ে ধরে একে অপরকে, ভালোবাসার মধুর রসসিক্ত হয় উভয়ের মণ, প্রাণ ও দেহ। এজিয়ান সাগরের মাঝপথে এসে প্যারিস হেক্টরকে বলেন, হেলেন তাদের সঙ্গে এসেছেন। প্যারিসের কথা শুনে অবাক হয়ে যান হেক্টর! রাগে, দুঃখে, ক্ষোভে চটে যায় প্যারিসের ওপর। নাবিকদের বলে জাহাজ স্পার্টার দিকে ঘুরাতে। কিন্তু প্যারিসের অনুরোধে আর ক্রন্দনে হেক্টর নিজের মত পরিবর্তন করেন। এদিকে স্পার্টার রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে প্যারিস হেলেনকে অপহরণ করে ট্রয়ে নিয়ে গেছে। মেনিলাস পাগলের মতো হয়ে সাহায্যের জন্য হাত বাড়ান আপন ভাই আর্পসের রাজা আগামেননের। আগামেনন গ্রিসের সম্মান ফিরিয়ে আনার জন্য গ্রিসের সব রাজাকে অনুরোধ জানান। প্রায় ১ হাজার জাহাজ নিয়ে ট্রয়ের উদ্দেশে রওনা দেয় গ্রিসবাসী। ট্রয়ে হাসি-আনন্দ ভালোবাসার জীবন আর যৌবনের পূর্ণতা পায় সুন্দরী হেলেন। ট্রয়ে বয়ে যায় হেলেনময়। প্রতিদিন শত শত উপহার উপঢৌকন আসতে থাকে হেলেনের ঘরে। প্যারিস নিজের জীবনের স্বার্থকতা আর ভালোবাসার স্পষ্টতা খুঁজে পায় হেলেনের হৃদয়ে। ভালোবাসার অতল সমুদ্রে ভাসতে থাকে প্যারিস আর হেলেন। হঠাৎ রাজ্যময় বিপদ ঘণ্টা বাজতে থাকে। রাজ্যের প্রজারা-বিপদ সংকেতে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করতে থাকে। রাজ্য থেকে হেক্টর ও তার বাবা দেখতে পায় হাজার হাজার জাহাজ নিয়ে গ্রিকরা ধেয়ে আসছে ট্রয়ের দিকে। মুহূর্তে কালো মেঘ নেমে আসে হেলেনের চোখে-মুখে। গোপনে রাতে ট্রয় থেকে পালিয়ে যেতে চান হেলেন। কিন্তু ধরা পড়ে হেক্টরের হাতে। হেক্টর তাকে সাহস দেয়। এতে ট্রয়ে থেকে যান হেলেন। জাহাজ থেকে সর্বপ্রথম নামেন গ্রিকবীর একলিস। নেমেই যুদ্ধ শুরু করেন একলিস ও তার সঙ্গীরা। প্রথম যুদ্ধেই ট্রয়নগরীর বন্দর দখল করেন নেয় গ্রিকরা। এভাবে টানা ১০ বছর বন্দর ও রাজ্য অবরোধ করে রাখে গ্রিকরা। বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধে নিহত হয় একলিসের ভাই উইরোরাস, প্যারিসের বড় ভাই ট্রয়বীর হেক্টর ও নাম না জানা উভয়পক্ষের হাজারও যোদ্ধা। যুদ্ধে সহজে জয়লাভ না করতে পেরে গ্রিকরা প্রতারণার আশ্রয় নেয়। তৈরি করে বিশাল আকৃতির ঘোড়া। যার নাম ট্রোজেন হর্স। ঘোড়ার মধ্যে লুকিয়ে রাখে শত শত সৈন্য। উপহার হিসেবে পাঠায় ট্রয় রাজার কাছে। রাজ্যের বাইরে লুকিয়ে থাকে গ্রিকরা কিন্তু এসবই অজানা থাকে ট্রয়বাসীর কাছে।

মহা-আনন্দে আর উৎসাহে ঘোড়াটিকে রাজ্যের ভেতরে নেয় ট্রয়বাসী। কিন্তু বিধি বাম, গভীর রাতে ঘোড়া থেকে বের হয়ে ট্রয়বাসীর ওপর অতর্কিত হামলা চালায় গ্রিকরা। গ্রিক সৈন্যরা ট্রয় রাজ্যে ধরিয়ে দেয় আগুন। মুহূর্তের মধ্যে দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে ট্রয়নগর। আগুনে পুড়ে হাজার হাজার সৈন্য আর নিরীহ নাগরিক মারা যায় কয়েক। একলিস ছুটে যায় হেলেনকে বাঁচানোর আশায়; কিন্তু প্যারিস তীর বিদ্ধ করে মেরে ফেলে একলিসকে। পালিয়ে যায় হেলেন, জয়লাভ করে গ্রিকরা। কিন্তু যে হেলেনের জন্য এত কিছু তাকে মেনিলাস কাছে পেয়েছিল কিনা তা আজও অজানা।

পিগমিরা খাটো কেন?

কঙ্গো উপত্যকা ক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল অঞ্চলে অবস্থিত। এখানে মধ্যাহ্নে সূর্যরশ্মি প্রায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। আর দিন ও রাত্রির পরিমাণও সারা বছর সমান থাকে। উওর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পশ্চিম অয়ন বায়ু নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের কাছে মিলিত হয়েছে। ফলে ইন্টার প্রপিক্যাল কনভাজেন্সের সৃষ্টি হয়েছে। এখানে প্রচণ্ড উত্তাপ। উত্তাপের আধিক্য এবং প্রচুর বাতাসে জলীয়বাষ্প এখানকার অধিবাসীদের জীবন দুর্বিষহ করে তোলে। অত্যধিক উষ্ণতা এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় তা উদ্ভিদের পক্ষে অনুকূল। তাই এখানে গভীর অরণ্য সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু মাটি খুবই অনুর্বর। মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় এবং উত্তাপ খুব বেশি থাকার জন্য এখানকার মাটি দ্রুত ক্ষয় হয় এবং ধৌত প্রক্রিয়ার জন্য মাটির অধিকাংশ খনিজপদার্থ ভূ-অভ্যন্তরে চলে যায়। এখানকার উপজাতিদের খাদ্যে শর্করা এবং শ্বেতসার জাতীয় পদার্থের অভাব খুব বেশি থাকে। তাদের প্রধান খাদ্য ট্যাপিওকা, গাছগাছালির মূল, রাঙা আলু, ওল এবং চিনির দানা ও নিকৃষ্টমানের চাল। বাঁধাকপি, ফুলকপি, বীট, গাজর, শিম প্রভৃতির চাষ হয় না। তাই তাদের খাদ্যে ভিটামিনের বিশেষ করে প্রোটিনের পরিমাণ খুবই কম থাকে। বন থেকে শিকার করা পশুর মাংস ও মাছের পরিমাণও থাকে নামমাত্র_ যা শরীরের প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে পারে। তাই এখানকার অধিবাসীদের খাদ্যে সুষম খাদ্যের যথেষ্ট অভাব দেখা যায়। ফলে অধিবাসীদের শারীরিক বৃদ্ধি ঠিকমতো হতে পারে না। অপুষ্টি রোগ ঘরে ঘরে আশ্রয় নেয়। তাই এখানকার মানুষ খর্বকায়। এদের গড় দৈর্ঘ্য চার ফুটেরও কম। ফারহানা মাহমুদ তন্বী

স্টার ফিশেরও আছে দেখার ক্ষমতা

এতদিন ধারণা ছিল স্টার ফিশ দেখতে পারে না। তবে সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করলেন স্টার ফিশ দেখতে পারে না ধারণাটি ভুল। সামুদ্রিক প্রাণী স্টার ফিশও দেখতে পারে।
স্টার মিশ বাংলাতে তারা মাছ নামে পরিচিত। মাছ বললেও এটি আসলে মাছ নয়। সাধারণত এটির ৫টি বাহু থাকে। তবে কিছু প্রজাতি পাওয়া গেছে যাদের ৪০ টির মত বাহুও দেখতে পাওয়া যায়। স্টার ফিশ এর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে এর যে কোন বাহু দুর্ঘটনাক্রমে দেহ বিচ্যুত হলে নতুন করে বাহু তৈরি হয়। সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপার বিচ্যুত বাহুটিও নতুন একটি স্টার ফিশ এ রূপান্তরিত হতে পারে। দেহাংশ বিচ্যুত ঘটলে স্টার ফিশ এর স্নায়ুতন্ত্র কার্যকর থাকে। যার কারণেই পুর্নগঠন সম্ভব হয়।
স্টার ফিশ কিভাবে দেখতে পারে তা সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন আরো মজার তথ্য। স্টার ফিশের চোখ আছে এবং তা পায়ের শেষে অবস্থিত। চোখগুলো যৌগিক ধরণের এবং শক্তিশালী নয়। মাত্র ৪ মিটার দূরত্বের দৃশ্য এই চোখ দিয়ে দেখতে পারে এটি। শক্তিশালী চোখ না হবার কারণে দ্রুত গতির কোন কিছু এই চোখ শনাক্ত করতে পারে না। স্টার ফিশ বর্ণান্ধ। রঙ শনাক্ত করা স্টার ফিশের সাধারণ চোখ দিয়ে সম্ভব না। স্টার ফিশ সামুদ্রিক পরিবেশে তার খাবার খুজে পেতে ব্যবহার করে। শত্রু প্রাণী দ্বারা যাতে আক্রান্ত না হয় সেজন্যও চোখ ভূমিকা রাখে।

সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে বসবাস

একঘেয়ে জীবন থেকে সরে যেতে ভ্রমণের দিকেই ঝুঁকে থাকেন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষ। ছোট পরিসরে কেউ বনভোজন করেন, কেউ দেশের সীমানা পেরিয়ে বেড়াতে যান নান্দনিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে। তবে এ তালিকায় সংযুক্ত হয়েছে দুর্গম স্থানে বসবাস। মানুষ আসলে চেনা প্রকৃতি থেকে বেরিয়ে মিশতে চায় নতুন আবহাওয়ায়। গবেষকদের বিশ্লেষণে এমনটাই বেরিয়ে এসেছে। জীবনকে উপভোগের জন্য যত প্রতিকূল পরিবেশে মানুষ ভ্রমণে গিয়েছে ততই আমোদ লাভ করেছে বলেই বেরিয়ে আসে এই গবেষণায়। এ জন্য প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর এবং দুর্গম স্থানগুলোর দিকে আগ্রহ বেশি মানুষের। একঘেয়েমি কাটাতে সবচেয়ে বেশি পছন্দের জায়গা হিসেবে রয়েছে ভিন্ন সংস্কৃতির কোনো সমাজে বসবাস। বরফে আচ্ছাদিত হোক কিংবা ধূ-ধূ মরুপ্রান্তরে যেখানে সভ্যতার আধুনিক প্রযুক্তির রাজত্ব নেই সে জায়গাগুলোর প্রতিই মানুষের আকর্ষণ বেশি। মৃত্যুর আগে একেবারেই ভিন্ন পরিবেশে বসবাস করা এই সাধ পূরণ না হলে জীবনটা যেন অসম্পূর্ণই থেকে যাবে।

পিঁপড়া

পিঁপড়াকে ক্ষুদ্র প্রাণী মানা হলেও কখনো কখনো এই ক্ষুদ্র প্রাণীটিই আবার হয়ে উঠতে পারে জীবননাশের কারণ। এমনই একটি পিঁপড়াকে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পিঁপড়া যেটি পাওয়া যায় অস্ট্রেলিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে। এর নাম বুলডগ অ্যান্ট। এই পিঁপড়াটি যখন কাউকে আক্রমণ করে তখন এটি একই সঙ্গে হুল এবং চোয়াল সমান তালে ব্যবহার করে। ১৯৩৬ সাল থেকে শুরু করে বুলডগ পিঁপড়ার কামড়ে মারা গেছেন ৩ জন এবং সর্বশেষ ১৯৮৮ সালে এর আক্রমণের শিকার হয়েছেন ভিক্টোরিয়ান এক কৃষক। আক্রমণের হিংস্রতা এবং শিকারির দিকে স্থির সংকল্পের কারণেই মূলত এর নাম বুলডগ অ্যান্ট। এই পিঁপড়াটি পুরোপুরি আক্রমণাত্দক এবং মানুষকে আক্রমণের সময় বিভিন্নভাবে ভয় দেখায়। কয়েকবার সফলভাবে হুল ফুটানোর পরে মানবশরীরে এটি আক্রমণের জায়গায় বিষ প্রয়োগ করে এবং তার কামড় দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী করে। এর হুলগুলো খুবই ধারালো এবং খাজ কাটা। এর আক্রমণে কোনো পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির মৃত্যুর মুখে পতিত হতে ১৫ মিনিট সময়ই যথেষ্ট। এদের চোখ অন্য সাধারণ পিঁপড়াদের থেকে একটু বেশি বড়। এর দৃষ্টিসীমা ১ মিটার পর্যন্ত। এদের শারীরিক মাপ প্রায় ৪০ মিমি (দৈর্ঘ্য)। এরা সাধারণত ফুলের মধু খেয়েই বাঁচে। এরা মূলত এক রানীর নেতৃত্বে সঙ্গবদ্ধ থাকে। পরবর্তীতে কোনো নতুন বুলডগ অ্যান্ট রানীকে মেরে নিজেই নেতৃত্ব দেয়।

লাভায় গড়া গ্রহ!

এই মহাবিশ্বে আমাদের পৃথিবী-সদৃশ বিভিন্ন গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকেরা। এবার মার্কিন গবেষকেরা জানালেন যে, তাঁরা পৃথিবী সদৃশ লাভার তৈরি একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি অনলাইন।

বিজ্ঞানীরা আমাদের এই মহাবিশ্বে প্রায় পৃথিবীর সমান ভর ও ঘনত্ববিশিষ্ট যে লাভা দিয়ে তৈরি গ্রহটির খোঁজ পেয়েছেন তা পৃথিবী থেকে ৪০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থান করছে। এ গ্রহটি আমাদের সৌরজগতের মতো একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
গবেষকেরা এ লাভা গ্রহের নাম দিয়েছেন ‘কেপলার ৭৮বি’। তাঁরা বলছেন, ‘কেপলার ৭৮বি’ নামের এ লাভা গ্রহটির সঙ্গে পৃথিবীর গঠনেও মিল রয়েছে। এ গ্রহটি আমাদের পৃথিবীর মতো লোহা ও পাথুরে উপাদানে গঠিত।
‘নেচার’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে এই গ্রহ সম্পর্কিত গবেষণা নিবন্ধ। নাসার কেপলার টেলিস্কোপের সাহায্যে এই গ্রহটির খোঁজ পেয়েছেন গবেষকেরা। এটি মাতৃ-তারার খুব কাছে থাকায় এর পৃষ্ঠের তাপমাত্রা অনেক বেশি, প্রায় দুই হাজার ৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। এত তাপমাত্রার কারণে গ্রহটির বাইরের দিকটি একটি লাভার স্তরে আবৃত। গবেষকেরা তাই একে লাভা গ্রহ বলছেন।

সৌরজগতের বাইরের আবহাওয়া

মার্কিন বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো সৌরজগতের বাইরের একটি গ্রহের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছেন। জিজেওয়ানটুওয়ানফোরবি নামের গ্রহটি ৪০ আলোকবর্ষ দূরের একটি ‘লোহিত বামন’ নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে। আর পৃথিবীর চেয়ে ২ দশমিক ৭ গুণ বড় আকারের ওই গ্রহের তাপমাত্রা প্রায় ২৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শক্তিশালী দূরবীক্ষণযন্ত্রের (হাবল স্পেস টেলিস্কোপ) পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, ভবিষ্যতে দীর্ঘ সময় ধরে সেখানকার পরিবেশ মেঘাচ্ছন্ন ও উষ্ণ থাকতে পারে। গ্রহটির চারপাশের মেঘরাশি কিসের তৈরি, তা এখনো অজানা। তবে সম্ভবত পটাশিয়াম ক্লোরাইড বা জিংক সালফাইডের ধুলা থেকেই সেই মেঘ তৈরি হয়েছে। গবেষকেরা এখন প্রায় নিশ্চিত যে ওই গ্রহের জলবায়ু উষ্ণ এবং স্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন—অনেকটা আমাদের সৌরজগতের শুক্র গ্রহের অনুরূপ। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিদ জ্যাকব বিনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ-সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রতিবেদন নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। টেলিগ্রাফ।

সুত্র:----- পত্রিকা থেকে সংগৃহিত।

কিভাবে এলো ইংরেজি সাতটি বারের নাম?

কিভাবে এলো ইংরেজি সাতটি বারের নাম?

ইংরেজি সাত বারের নাম কিভাবে এলো তা হয়তো আজও আমাদের অনেকের অজানা। এ অজানা কাহিনীগুলো আজ আমরা জানব।

১. শনিবার(Saturday): রোমানরা মনে করত ‘স্যাটান’ নামক দেবতা আবহাওয়া, কৃষি ও বৃষ্টি নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব পালন করেন, তাকে সন্তুষ্ট করার জন্য তারা একটি দিনের নাম দেয় ‘স্যাটান ডেইজ’, যা বর্তমানে ‘Saturday’(শনিবার) নামে পরিচিত।

২. রবিবার(Sunday): প্রাচীনকালে দক্ষিণ ইউরোপের লোকেরা ভাবত একজন দেবতা প্রতিদিন আকাশে আলোর বল আকেঁন। এই আলোর বলের ল্যাটিন নাম সলিছ। এই ‘সলিছ’ নাম থেকে কালক্রমে ‘ডেইস সলিছ’ বা আলোর বলের নাম এলো। উত্তর ইউরোপে ‘ডেইস সলিছ’ কে ‘সানেন ডেইজ’ বলা হতো এবং এই ‘সানেন ডেইজ’ থেকেই কালক্রমে ‘Sunday’(রবিবার) শব্দের উৎপত্তি।

৩. সোমবার(Monday): দক্ষিণ ইউরোপীয়রা আকাশে রাতে রুপালি বল দেখে এর নাম দেয় ‘লুনা’ এবং একটি দিনের নাম দেয় ‘লুনা ডেইজ’। এই ‘লুনা ডেইজ’ শব্দটি উত্তর ইউরোপের লোকেরা উচ্চারণ করত ‘মোনান ডেইজ’ এবং তা থেকে ধীরে ধীরে ‘Monday’(সোমবার) শব্দের উদ্ভব ঘটে।

৪. মঙ্গলবার(Tuesday): প্রাচীনকালে বিশ্বাস ছিল ‘টিউ’ নামে একজন বুদ্ধ দেবতা যুদ্ধে শহীদদের আত্মাকে একদল মহিলা কর্মীর সাহায্যে সুন্দর বিশ্রামস্থলে নেন। এই নেওয়ার কাজ তিনি যেদিন করতেন সেদিন নাম হয় ‘টুইজ ডেইজ’ যা পরে ‘Tuesday’(মঙ্গলবার) হয়।

৫.বুধবার(Wednesday): উত্তর ইউরোপীয়রা মনে করত দেবতা ‘উডেন’ লম্বা টুপি মাথায় দিয়ে সর্বত্র ঘুরতেন এবং তার কাঁদে দুটো কাল পাখি বসে থাকত। কিন্তু তিনি দুর্ঘটনাবশত একটি চোখ হারান। এরপর তার কাঁদের পাখিরা রাতে পৃথিবীতে কী কী ঘটছে তা দেখত এবং সকালে সব ‘উডেনকে’ জানাত। এই শক্তিশালী দেবতার জন্য সপ্তাহের একটি দিন উৎসর্গ করা হয় এবং এই দিনের নাম রাখা হয় ‘ওয়েনড ডেইজ’ যা পরে ‘Wednesday’(বুধবার) নামে পরিচিত।

৬.বৃহস্পতিবার(Thursday): প্রাচীনকালে মানুষ ভাবত ‘থর’ নামক দেবতা রেগে গেলে আকাশে বিশাল এক হাতুড়ি মারতেন, যা থেকে আলো চমকাত এবং এই সময় নিজে ছাগলচালিত এক গাড়িতে বসে থাকতেন। এই আলো হলো ‘বিদ্যুৎচমক’ তার গাড়িল চাকার শব্দই ‘বজ্রপাত’। এই থরের প্রতি সপ্তাহের একটি দিন উৎসর্গ করা হয় এবং সেই দিনটির নাম রাখা হয় ‘থোর্স ডেইজ’,যা বর্তমানে 'Thursday' (বৃহস্পতিবার)।

৭.শুক্রবার(Friday): দেবতা ‘উডেন’ এর স্ত্রী ‘ফ্লিগ’ ছিলেন ভালোবাসা ও বিয়ের দেবী। তার প্রতি উৎসর্গকৃত দিনের নাম করা হয় ‘ফ্লিগ ডেইজ’ যা বর্তমানে ‘Friday’(শুক্রবার)।

---- তথ্যটি পত্রিকা থেকে নেয়া।

মহাকাশে গেল পিঁপড়া

এর আগে কুকুর, বানরসহ বিভিন্ন কীটপতঙ্গ মহাকাশ ভ্রমণ করে এসেছে। এবার মহাকাশ ভ্রমণে গেছে ৮০০ পিঁপড়া।
ভবিষ্যতে কী কখনও মহাকাশে পিঁপড়া কলোনি গড়ে তোলা সম্ভব হবে? অনেকের মনে এই প্রশ্ন উঠতে পারে। সম্প্রতি গবেষকেরা মহাকাশে ৮০০ পিঁপড়া পাঠানোর পর এ নিয়ে নতুন করে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।

গতকাল রোববার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে অবস্থানরত নভোচারীদের রসদসহ ৮০০ পিঁপড়ার ঝাঁকটি সেখানে পৌঁছেছে। মহাকাশে ভরশূন্য অবস্থায় পিঁপড়ার আচরণ কেমন হবে তা নিয়ে গবেষণার লক্ষে একঝাঁক পিঁপড়াকে মহাকাশে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার গবেষকেরা।

মোট আটটি পিঁপড়ার বাসায় ১০০ টি করে পিঁপড়া, ডোভস নামের ক্ষুদ্র কৃত্রিম উপগ্রহ ও অন্যান্য গবেষণা যন্ত্রপাতি নিয়ে ‘সিগনাস’ নামের দুই হাজার ৭৮০ পাউন্ড ওজনের কার্গোটি গত ৯ জানুয়ারি রওনা হয়েছিল। গত রোববার আন্তর্জাতিক স্টেশনে পৌঁছানোর পর বিশেষ রোবটিক বাহুর সাহায্যে সেগুলো সংগ্রহ করেছেন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের নভোচারীরা। এই ক্যাপসুলে নভোচারীদের জন্য বড়দিনের বিশেষ উপহারও গেছে পৃথিবী থেকে।

নাসার গবেষকেরা জানিয়েছেন, মহাকাশ স্টেশনের ভরশূন্য পরিবেশে পিঁপড়ার আচরণ নিয়ে গবেষণা করা হবে। বিজ্ঞানী এবং শিক্ষার্থীরা পৃথিবী থেকে এ গবেষণাটি পর্যবেক্ষণ করবে। তারা আশা করছেন, এ গবেষণার মাধ্যমে মাধ্যাকর্ষণ এবং প্রায় ভরশূন্য অবস্থার আচরণ থেকে অনেক নতুন তথ্য বের হয়ে আসবে।
পিঁপড়া ছাড়াও ভরশূন্য পরিবেশে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের কার্যকারিতাও পরীক্ষা করে দেখবেন গবেষকেরা।

মহাশূন্যে যাত্রা করল রোবট 'কিরোবো'

মহাশূন্যে যাত্রা করল প্রথম মানব সদৃশ্য ও কথা বলতে সক্ষম রোবট কিরোবো। রোববার ভোরে জাপানের তানেগাশিমা মহাশূন্য স্টেশন থেকে রোবট বহনকারী রকেটটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
আগামী ৯ আগস্টের মধ্যে| এটি মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ১৭ ইঞ্চি উচ্চতার ছোট্ট এই রোবোটটির নাম কিরোবো। মহাশূন্যে মহাকাশবিজ্ঞানীর সহকারি হিসেবে কাজ করবেএটি।
কিরোবোর একজন বন্ধুও আছে, তার নাম মিরাতা, যে থাকবে পৃথিবীতে। কিরোবো মহাশূন্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মিরাতার সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান জানাবে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের।
---- সংগ্রহ।

মার্কিনী ঠাণ্ডার কাছে হার মানল মঙ্গল!

মঙ্গলের তাপমাত্রাকে হার মানাল যুক্তরাষ্ট্র। সূর্য থেকে প্রায় সাত কোটি আশি লক্ষ মাইল দূরে থাকা মঙ্গলের তাপমাত্রা মাইনাস ২৫ ডিগ্রি থেকে মাইনাস ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করে। সেখানে মন্টানা রয়েছে মাইনাস ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
ইলিনয়েজ, ইন্ডিয়ানা, লোওয়া, মেরিল্যান্ড, মিশিগান, মিনেসোটার তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে মাইনাস ৪০ থেকে মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। বস্টন থেকে বার্মিংহাম চারিদিকে শুধু বরফ আর বরফ। হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডা বললেও কম বলা হয়। ঘরবন্দি গোটা মার্কিন মুলুক। প্রবল ঠাণ্ডার জেরে গত দু-তিনদিন স্তব্ধ হয়ে গেছে জনজীবন। স্কুল, কলেজ, অফিস সব বন্ধ।
নিউইয়র্কের তাপমাত্রা টেক্কা দিয়েছে মঙ্গলকে। মাইনাস ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে গিয়েছিল মিনোসোটার এমবারেস। নিউইয়র্ক হিমাঙ্কের ১২ ডিগ্রি নিচে। মন্টানা, উত্তর ও দক্ষিণ ডাকোটা, মিনেসোটা, আইওয়া, উইসকনসিন, মিশিগানের তাপমাত্রা নেমেছে মাইনাস ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আলবামার তাপমাত্রা মাইনাস ১৪, টেন্নেসে তাপমাত্রার পারদ নেমেছে মাইনাস ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়ঙ্কর যে এক গ্লাস গরম পানি উপরে ছুঁড়লে মাটিতে পড়ার আগেই তা বরফ হয়ে যাচ্ছে। বাতিল হচ্ছে  ফ্লাইট। তুষারপাতের শুরুর দিন থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ১৮ হাজার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। মিশিগানের হেল শহরে লাইফ পুরো হেল। বরফ জমেছে চারিদিক।
পরিস্থিতি শিগগির বদলাবে এমন আশার কথা এখনও শোনায়নি মার্কিন আবহাওয়া দফতর। কারণ, উত্তর মেরু থেকে ধেয়ে আসা হাড় কাঁপানো ঠান্ডা হাওয়া। বিপজ্জনক তুষারপাত এই ঘূর্ণিঝড়ের মূল বৈশিষ্ট্য।
মঙ্গলের তাপমাত্রাকে হার মানাল যুক্তরাষ্ট্র। সূর্য থেকে প্রায় সাত কোটি আশি লক্ষ মাইল দূরে থাকা মঙ্গলের তাপমাত্রা মাইনাস ২৫ ডিগ্রি থেকে মাইনাস ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করে। সেখানে মন্টানা রয়েছে মাইনাস ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
ইলিনয়েজ, ইন্ডিয়ানা, লোওয়া, মেরিল্যান্ড, মিশিগান, মিনেসোটার তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে মাইনাস ৪০ থেকে মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। বস্টন থেকে বার্মিংহাম চারিদিকে শুধু বরফ আর বরফ। হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডা বললেও কম বলা হয়। ঘরবন্দি গোটা মার্কিন মুলুক। প্রবল ঠাণ্ডার জেরে গত দু-তিনদিন স্তব্ধ হয়ে গেছে জনজীবন। স্কুল, কলেজ, অফিস সব বন্ধ।
নিউইয়র্কের তাপমাত্রা টেক্কা দিয়েছে মঙ্গলকে। মাইনাস ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে গিয়েছিল মিনোসোটার এমবারেস। নিউইয়র্ক হিমাঙ্কের ১২ ডিগ্রি নিচে। মন্টানা, উত্তর ও দক্ষিণ ডাকোটা, মিনেসোটা, আইওয়া, উইসকনসিন, মিশিগানের তাপমাত্রা নেমেছে মাইনাস ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আলবামার তাপমাত্রা মাইনাস ১৪, টেন্নেসে তাপমাত্রার পারদ নেমেছে মাইনাস ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়ঙ্কর যে এক গ্লাস গরম পানি উপরে ছুঁড়লে মাটিতে পড়ার আগেই তা বরফ হয়ে যাচ্ছে। বাতিল হচ্ছে  ফ্লাইট। তুষারপাতের শুরুর দিন থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ১৮ হাজার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। মিশিগানের হেল শহরে লাইফ পুরো হেল। বরফ জমেছে চারিদিক।
পরিস্থিতি শিগগির বদলাবে এমন আশার কথা এখনও শোনায়নি মার্কিন আবহাওয়া দফতর। কারণ, উত্তর মেরু থেকে ধেয়ে আসা হাড় কাঁপানো ঠান্ডা হাওয়া। বিপজ্জনক তুষারপাত এই ঘূর্ণিঝড়ের মূল বৈশিষ্ট্য।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/2014/01/09/36939#sthash.AbnMsjal.dpuf
মঙ্গলের তাপমাত্রাকে হার মানাল যুক্তরাষ্ট্র। সূর্য থেকে প্রায় সাত কোটি আশি লক্ষ মাইল দূরে থাকা মঙ্গলের তাপমাত্রা মাইনাস ২৫ ডিগ্রি থেকে মাইনাস ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করে। সেখানে মন্টানা রয়েছে মাইনাস ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
ইলিনয়েজ, ইন্ডিয়ানা, লোওয়া, মেরিল্যান্ড, মিশিগান, মিনেসোটার তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে মাইনাস ৪০ থেকে মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। বস্টন থেকে বার্মিংহাম চারিদিকে শুধু বরফ আর বরফ। হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডা বললেও কম বলা হয়। ঘরবন্দি গোটা মার্কিন মুলুক। প্রবল ঠাণ্ডার জেরে গত দু-তিনদিন স্তব্ধ হয়ে গেছে জনজীবন। স্কুল, কলেজ, অফিস সব বন্ধ।
নিউইয়র্কের তাপমাত্রা টেক্কা দিয়েছে মঙ্গলকে। মাইনাস ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে গিয়েছিল মিনোসোটার এমবারেস। নিউইয়র্ক হিমাঙ্কের ১২ ডিগ্রি নিচে। মন্টানা, উত্তর ও দক্ষিণ ডাকোটা, মিনেসোটা, আইওয়া, উইসকনসিন, মিশিগানের তাপমাত্রা নেমেছে মাইনাস ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আলবামার তাপমাত্রা মাইনাস ১৪, টেন্নেসে তাপমাত্রার পারদ নেমেছে মাইনাস ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়ঙ্কর যে এক গ্লাস গরম পানি উপরে ছুঁড়লে মাটিতে পড়ার আগেই তা বরফ হয়ে যাচ্ছে। বাতিল হচ্ছে  ফ্লাইট। তুষারপাতের শুরুর দিন থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ১৮ হাজার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। মিশিগানের হেল শহরে লাইফ পুরো হেল। বরফ জমেছে চারিদিক।
পরিস্থিতি শিগগির বদলাবে এমন আশার কথা এখনও শোনায়নি মার্কিন আবহাওয়া দফতর। কারণ, উত্তর মেরু থেকে ধেয়ে আসা হাড় কাঁপানো ঠান্ডা হাওয়া। বিপজ্জনক তুষারপাত এই ঘূর্ণিঝড়ের মূল বৈশিষ্ট্য।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/2014/01/09/36939#sthash.AbnMsjal.dpuf
মঙ্গলের তাপমাত্রাকে হার মানাল যুক্তরাষ্ট্র। সূর্য থেকে প্রায় সাত কোটি আশি লক্ষ মাইল দূরে থাকা মঙ্গলের তাপমাত্রা মাইনাস ২৫ ডিগ্রি থেকে মাইনাস ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করে। সেখানে মন্টানা রয়েছে মাইনাস ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
ইলিনয়েজ, ইন্ডিয়ানা, লোওয়া, মেরিল্যান্ড, মিশিগান, মিনেসোটার তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে মাইনাস ৪০ থেকে মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। বস্টন থেকে বার্মিংহাম চারিদিকে শুধু বরফ আর বরফ। হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডা বললেও কম বলা হয়। ঘরবন্দি গোটা মার্কিন মুলুক। প্রবল ঠাণ্ডার জেরে গত দু-তিনদিন স্তব্ধ হয়ে গেছে জনজীবন। স্কুল, কলেজ, অফিস সব বন্ধ।
নিউইয়র্কের তাপমাত্রা টেক্কা দিয়েছে মঙ্গলকে। মাইনাস ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে গিয়েছিল মিনোসোটার এমবারেস। নিউইয়র্ক হিমাঙ্কের ১২ ডিগ্রি নিচে। মন্টানা, উত্তর ও দক্ষিণ ডাকোটা, মিনেসোটা, আইওয়া, উইসকনসিন, মিশিগানের তাপমাত্রা নেমেছে মাইনাস ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আলবামার তাপমাত্রা মাইনাস ১৪, টেন্নেসে তাপমাত্রার পারদ নেমেছে মাইনাস ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়ঙ্কর যে এক গ্লাস গরম পানি উপরে ছুঁড়লে মাটিতে পড়ার আগেই তা বরফ হয়ে যাচ্ছে। বাতিল হচ্ছে  ফ্লাইট। তুষারপাতের শুরুর দিন থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ১৮ হাজার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। মিশিগানের হেল শহরে লাইফ পুরো হেল। বরফ জমেছে চারিদিক।
পরিস্থিতি শিগগির বদলাবে এমন আশার কথা এখনও শোনায়নি মার্কিন আবহাওয়া দফতর। কারণ, উত্তর মেরু থেকে ধেয়ে আসা হাড় কাঁপানো ঠান্ডা হাওয়া। বিপজ্জনক তুষারপাত এই ঘূর্ণিঝড়ের মূল বৈশিষ্ট্য।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/2014/01/09/36939#sthash.AbnMsjal.dpuf
মঙ্গলের তাপমাত্রাকে হার মানাল যুক্তরাষ্ট্র। সূর্য থেকে প্রায় সাত কোটি আশি লক্ষ মাইল দূরে থাকা মঙ্গলের তাপমাত্রা মাইনাস ২৫ ডিগ্রি থেকে মাইনাস ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করে। সেখানে মন্টানা রয়েছে মাইনাস ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
ইলিনয়েজ, ইন্ডিয়ানা, লোওয়া, মেরিল্যান্ড, মিশিগান, মিনেসোটার তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে মাইনাস ৪০ থেকে মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। বস্টন থেকে বার্মিংহাম চারিদিকে শুধু বরফ আর বরফ। হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডা বললেও কম বলা হয়। ঘরবন্দি গোটা মার্কিন মুলুক। প্রবল ঠাণ্ডার জেরে গত দু-তিনদিন স্তব্ধ হয়ে গেছে জনজীবন। স্কুল, কলেজ, অফিস সব বন্ধ।
নিউইয়র্কের তাপমাত্রা টেক্কা দিয়েছে মঙ্গলকে। মাইনাস ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে গিয়েছিল মিনোসোটার এমবারেস। নিউইয়র্ক হিমাঙ্কের ১২ ডিগ্রি নিচে। মন্টানা, উত্তর ও দক্ষিণ ডাকোটা, মিনেসোটা, আইওয়া, উইসকনসিন, মিশিগানের তাপমাত্রা নেমেছে মাইনাস ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আলবামার তাপমাত্রা মাইনাস ১৪, টেন্নেসে তাপমাত্রার পারদ নেমেছে মাইনাস ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়ঙ্কর যে এক গ্লাস গরম পানি উপরে ছুঁড়লে মাটিতে পড়ার আগেই তা বরফ হয়ে যাচ্ছে। বাতিল হচ্ছে  ফ্লাইট। তুষারপাতের শুরুর দিন থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ১৮ হাজার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। মিশিগানের হেল শহরে লাইফ পুরো হেল। বরফ জমেছে চারিদিক।
পরিস্থিতি শিগগির বদলাবে এমন আশার কথা এখনও শোনায়নি মার্কিন আবহাওয়া দফতর। কারণ, উত্তর মেরু থেকে ধেয়ে আসা হাড় কাঁপানো ঠান্ডা হাওয়া। বিপজ্জনক তুষারপাত এই ঘূর্ণিঝড়ের মূল বৈশিষ্ট্য।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/2014/01/09/36939#sthash.AbnMsjal.dpuf

মহাকাশ থেকে লাইভ শো এবার টিভি পর্দায়

সরাসরি বা লাইভ শো আমরা বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে দেখে থাকি। তবে নতুন খবর হল আন্তর্জাতিক স্পেস সেন্টার থেকে এবার সরাসরি তথ্য মিলবে টিভির পর্দায়। পরিবারের সকলে মিলেই সেই শো দেখতে পাবেন ঘরে বসেই। বিনোদনের পাশাপাশি তথ্য জানার এ এক অপার সুযোগ।
ব্রিটেনের একটি টিভি সংস্থা জানিয়েছে, এই প্রথম টিলিভিশনের পর্দায় এমন শো পরিবেশন করা হবে। তাও আবার মহাকাশ থেকে, সরাসরি।
ইতিমধ্যেই ন্যাশানাল জিওগ্রাফি চ্যানেল সহ ১৭০টি চ্যানেলে এই লাইভ শো দেখানো হবে। শো-এর হোস্ট হবেন ব্রিটেনের দ্য এক্স ফ্যাক্টর খ্যাত ডারমট ওল্যারি। হাউসটনে নাসার কন্ট্রোল অফিসের মাধ্যমে স্পেস সেন্টারের মহাকাশ্চারীদের সঙ্গে লাইভ কথা বলবেন ল্যারি।
আন্তর্জাতিক স্পেস সেন্টারে কি কি কাজ হয়, মহাকাশ্চারীরা কেমনভাবে থাকেন, তাদের কাজ কী, সেখান থেকে পৃথিবীর নানা মুহুর্ত ও মহাকাশের নানা তথ্য এই লাইভ শো'তে পরিবেশন করা হবে বলে জানা গেছে। আর এই শো-এর মূল আকর্ষণ হিসেবে থাকবেন প্রফেসর স্টিফেন হকিং ও ব্রিটিশ মহাকাশ্চারী টিম পিক।
উল্লখ্যে, একশো বিলিয়ন ডলারের এই অভিনব প্রোজেক্টের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আইএসএস ও আরও ১২টি দেশ।
-----  সংগ্রহ।

মহাকাশ বিজ্ঞান



মহাকাশের দুর দুরান্ত থেকে প্রতি মুহুর্তে ভেসে আসছে নানা ধরনের বেতার তরঙ্গ। বিজ্ঞানীরা রেডিও টেলিস্কোপের সাহায্যে সেই তরঙ্গ বিশ্লেষণ করে চলেছেন। এ কাজে এখন সাহায্য করছে কম্পউটার। জানা যাচ্ছে কতো বিশ্বাল এই মহাবিশ্ব। এই বিশালতার কথা ভাবলে বিস্মিত হতে হয়। রীতিমতো শিহরিত হতে হয়।
প্রাচীনকালের মানুষ অবাক চোখে তাকিয়ে থাকতো রাতের আকাশের দিকে। কৌতুহলী হতো। প্রাচীন মানুষের এই কৌতুহলের প্রমাণ পাওয়া যায় ইংল্যান্ডের দক্ষিণ কোনে সলসবেরীতে। যেখানে ষ্টোনহেঞ্জ নামে পুরাকীর্তি আবিস্কৃত হয়েছে। বড় বড় পাথর সাজিয়ে প্রাচীন কালের মানুষ আকাশ পর্যবেক্ষণ যন্ত্রপাতি বনিয়েছিল। পাথরের থামের উপর নির্ভূল মাপে দাগ কেটেছিল। এর ফলে লিবিয়া ও মিডাসের যুদ্ধ থেমে গিয়েছিল। খালি চোখে দেখার ক্ষমতা আর কতটুকু? কাঁচ ঘষে আবিষ্কৃত হলো লেনস। তৈরি হলো দূরবিন। এতে গ্রহ নক্ষত্র দেখার কাজটা অনেক সহজ হয়ে এলো।
            ১৬০৯ সালে ইতালির গ্যালিলও প্রথম দুরবিন বানিয়েছিলেন। তিনি দুর আকাশের অনেক বিস্ময়কর তথ্য আবিস্কার করেছিলেন। গ্যলিলিও তার দুরবিন দিয়ে প্রথম বৃহস্পতির চারটি উপগ্রহ দেখতে পেলেন। তিনি যখন বললেন যে বৃহস্তপতির চারটি চাঁদ রয়েছে তখন লোকেরা তাকে উপহাস করেছিল। সেই চারটি উপগ্রহের নাম দেয়া হলো গ্যানিমিড, ক্যালিষ্টো, আইও ও ইউরো। সেই থেকে বিশাল মহাবিশ্বের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খোঁজ নেবার শুরু।
            ১৬১০ সালে গ্যালিলিও শনি গ্রহের রহস্যময় বলায়ের কথা প্রথম জানালেন। ঐ বলয় লক্ষ লক্ষ গ্রহানু দিয়ে তৈরি। গ্রহানুগুলো একসাথে ঝাঁক বেঁধে আছে। আশ্চর্য এক নিয়েমে শনিকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে।
      মহাবিশ্বে রয়েছে এমনি অনেক রহস্যময় ঘটনা। মানুষ মহাশূন্যের কথা ভেবে আলোড়িত। কৌতুহলী হয়ে জানতে চেয়েছে সৃষ্টি রহস্যের কথা। কোথা থেকে এলো এ গ্রহ লক্ষত্র?
      দূরবিন তৈরির ক্ষেত্রেও প্রচুর অগ্রগতি হয়েছে। এখন আলোক দূরবিন আর বেতার দূরবিন দিয়ে দূর মহাবিশ্বের অনুসন্ধান চলছে। রাশিয়ার সোমিরোড্রিকি পাহাড়ে বসানো হয়েছে ২৩৬ ইঞ্চি ব্যাসের প্রতিফলক দুরবিন। সেই দূরবিনের সাহায্যে মহাবিশ্বের বিশাল পরিসরের একটি ধারণা পাওয়া গেল। আমাদের এই সৌর পরিবার একটি ছায়াপথের অন্তর্গত। একে বলে গ্যালাকসি। এই ছায়াপথে রয়েছে আনুমানিক 250,000 মিলিয়ন লক্ষত্র। এক মিলিয়ন মানে দশ লক্ষ। তাহলেই বোঝা যায় কি বিশাল এই গ্যালাকসির আকার। এই গ্যালাকসি রয়েছে আবার আরো বিশাল গ্যালাকসিপুঞ্জের মাঝে।
            সোমিরোড্রিকির দূরবিন দিয়ে বিস্ময়কর সব তথ্য জানা যেতে লাগলো। মোট একুশটি গ্যালাকসি নিয়ে এই গুঞ্জ গঠিত। আর এটা যে পরিামন জায়গা জুড়ে আছে তা হলো ত্রিশ লক্ষ আলোক বর্ষ।
            আলোর গতিবেগ হলো প্রতি সেকেন্ডে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইল অর্থত গ্যালাকসিগুঞ্জের শেষ নক্ষত্র থেকে যদি আলো আসতে থাকে তবে পৃথিবীতে এসে পৌছাতে লাগবে ত্রিশ লক্ষ বছর।
      বিজ্ঞানীরা ক্রমে ক্রমে আরো বিশাল জগতের সন্ধান পেতে লাগলেন। জানা গেল আমাদের গ্যালাকসিপুঞ্জ থেকে পাঁচ কোটি আলোক বর্ষ দূরে আছে আরো একটি গ্যালাকসিপুঞ্জ। নাম ভারগো গুচ্ছ। তার অন্তর্গত রয়েছে এক হাজার গ্যালাকসি। বিজ্ঞানীরা এখন আরো শক্তিশালী দূরবিন তৈরি করার চেষ্টা করছেন।
      অনেক নক্ষত্রে তাপ পরমানুর ক্রিয়া চলে। সেখান থেকে নিক্ষিপ্ত হয় বেতার তরঙ্গ। আলোক দূরবিন দিয় ঐ তরঙ্গ ধরা যায় না। ফলে এদের কথা জানা যেত না। বিজ্ঞানীরা এসব লক্ষত্রের অস্তিত্ব জানার জন্যে ব্যবাহার করছেন বেতার দূরবিন।
মহাকাশের বেতার তরঙ্গ এই দুরবিনের গ্রাহক চাকতিতে এসে আছড়ে পড়ে। সেখান থেকে প্রতিফলিত হয়ে যায় কেন্দ্রে। সেখানে বিশ্লেষণ করা হয় সংকেতগুলো।
      সবচাইতে রয়েছে বড় বেতার দূরবিন রয়েছে পশ্চিম জার্মানীতে। ম্যাক্স প্লাঙ্ক গবেষনা কেন্দ্র। সেখানকার গ্রাহক চাকতির ব্যাস হলো 328 ফুট।
      সবচাইতে শক্তিশালী বেতার দূরবিনটি রয়েছ নিউ মেকসিকোতে। যার এক একটি বাহু লম্বায় 13মাইল। সেখানে পর পর বসানো 27টি বেতার এরিয়াল চাকতি। যার প্রত্যেকটির ব্যাস হলো 82ফুট।
      এখণ মহাকাশযানের সাথে. উপগ্রতের সাথে সংযুক্ত থাকছে দুরবিন। অবলোহিত রশ্মি এবং কম্পিউটার লাগানো রয়েছে সেসব দুরবিন। এসব দুরবিনে বসানো হয়েছে লেসার য্ন্ত্র। মহাশূন্যের সুক্ষ্মতম খবরও যেন জানা যায়। সুক্ষ্মতম হিশেব মাপার ব্যাপারে লেসার রশ্মি খুব কার্যকর।
      এসব দূরবিনের সাহায্যে এখন ব্ল্যাক হোল, পালসার, কোয়েসারের নানা রহস্যময়, চমকপ্রদ খবর জানা যাচ্ছে।
      মহাবিশ্বের বিচিত্র রহস্য অনুসন্ধানের জন্যে গড়ে উঠলো বিজ্ঞানের নানা শাখা। মাহাকশ থেকে আসা আলো ও বেতার তরঙ্গ বিশ্লেষণ পদ্ধতি।
      ১৯১২ সালে প্রথম জানা গেল মাহজাগতিক রশ্মির কথা। আষ্ট্রিয়ার এক বিজ্ঞানী ভিকতার হেস এই তথ্য প্রকাশ করলেন। তিনি জানালেন, মহাকাশ থেকে অতি উচ্চ শক্তির এক রকম কণিকা স্রোত আসছে।
      এ নিয়ে শুরু হলো ব্যাপক পরীক্ষা।
      ১৯৩১ সালে হঠাৎ করে মহাকাশে খোঁজ পাওয়া গেল নতুন রকমের এক উৎসের। যা থেকে আসছে বেতার তরঙ্গের স্রোত গবেষনায় জানা গের এই প্রবাহ আসছে সৌর জগতের বইরে থেকে। এর উতস রয়েছে ছায়াপথ তারা জগতের কেন্দ্রে।
      এই গবেষণার প্রধান ব্যক্তি ছিলেন বিজ্ঞানী কার্ল জানস্কি। তিনি এমন একটি বেতার যন্ত্র বানালেন যাতে কোন বিশেষ দিক থেকে আসা বেতার তরঙ্গ প্রবাহ ধরতে পার। তিনি দেখলেন রোজ প্রায় একই সময়ে ঘন্টা ছয়েকের জন্যে প্রবাহের মান বেড়ে যাচ্ছে। দেশ বিদেশের বিজ্ঞানীরা গভীর কৌতুহলের সাথে মহাবিশ্বের বিশালতার অনুসন্ধান শুরু করলো। মহাবিশ্বের বেতার উতসের খোঁজ শুরু হলো।
      ইংল্যান্ডের ছড়ানো রয়েছে বহু ধরনের বস্তুপিন্ড। জ্যোতিস্ক। এসব থেকে হচ্ছে বিকিরণ। আসছে কণিকার স্রোত। এতে একটা সমস্যা দেখা দিলো। পৃথিবীর বায়ুমন্ডল ভেদ করে এই বিকিরণ আসতো বলে তার যথার্থ রূপ জানা যেত না। কারণ মহাজাগতিক রশ্মির কণিকাগুলো বায়ুমন্ডলের অণু পরমাণুর আঘাতে ছিন্ন ভিন্ন হতো। এতে মৌলিক কণিকা পৃথিবীতে আসতো গৌণ কণিকা রূপে। তাই বিজ্ঞানীরা অনুভব করলেন এদের যথার্থ রূপ জানতে হলে এমন যন্ত্র পাঠাতে হবে যা বায়ুমন্ডলকে অতিক্রম করে মহাশূন্যে যাবে। এ ব্যাপারে সাহায্য করলো রকেট প্রযুক্তি।
      ১৯৪৬ সালের ১০ই অক্টোবর তারিখে একটি ভি-২ রকেটের সাহায্যে অতি বেগুনী আলোর বর্ণালী বিশ্লেষক যন্ত্র নিক্ষিপ্ত হলো। তাতে ধরা পড়লো সূযের্র আলোর বর্ণলিপি। এই যাত্রা বিজ্ঞানীদের কাছে নতুন এক সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিল।
      অনেকেই তাই ঐ তারিখটিকে মহাকাশ বিজ্ঞানের জন্মদিন হিশেবে আখ্যা দিলেন। এখন এই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিস্ময়কর রকমের অগ্রগতি ঘটেছে।


 
Support : Creating Website | Johny Template | Mas Template
Copyright © 2011. অজানা বিশ্ব - All Rights Reserved
Template Created by Creating Website Published by Mas Template
Proudly powered by Blogger