Headlines News :

Blogger templates

পিগমিরা খাটো কেন?

কঙ্গো উপত্যকা ক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল অঞ্চলে অবস্থিত। এখানে মধ্যাহ্নে সূর্যরশ্মি প্রায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। আর দিন ও রাত্রির পরিমাণও সারা বছর সমান থাকে। উওর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পশ্চিম অয়ন বায়ু নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের কাছে মিলিত হয়েছে। ফলে ইন্টার প্রপিক্যাল কনভাজেন্সের সৃষ্টি হয়েছে। এখানে প্রচণ্ড উত্তাপ। উত্তাপের আধিক্য এবং প্রচুর বাতাসে জলীয়বাষ্প এখানকার অধিবাসীদের জীবন দুর্বিষহ করে তোলে। অত্যধিক উষ্ণতা এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় তা উদ্ভিদের পক্ষে অনুকূল। তাই এখানে গভীর অরণ্য সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু মাটি খুবই অনুর্বর। মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় এবং উত্তাপ খুব বেশি থাকার জন্য এখানকার মাটি দ্রুত ক্ষয় হয় এবং ধৌত প্রক্রিয়ার জন্য মাটির অধিকাংশ খনিজপদার্থ ভূ-অভ্যন্তরে চলে যায়। এখানকার উপজাতিদের খাদ্যে শর্করা এবং শ্বেতসার জাতীয় পদার্থের অভাব খুব বেশি থাকে। তাদের প্রধান খাদ্য ট্যাপিওকা, গাছগাছালির মূল, রাঙা আলু, ওল এবং চিনির দানা ও নিকৃষ্টমানের চাল। বাঁধাকপি, ফুলকপি, বীট, গাজর, শিম প্রভৃতির চাষ হয় না। তাই তাদের খাদ্যে ভিটামিনের বিশেষ করে প্রোটিনের পরিমাণ খুবই কম থাকে। বন থেকে শিকার করা পশুর মাংস ও মাছের পরিমাণও থাকে নামমাত্র_ যা শরীরের প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে পারে। তাই এখানকার অধিবাসীদের খাদ্যে সুষম খাদ্যের যথেষ্ট অভাব দেখা যায়। ফলে অধিবাসীদের শারীরিক বৃদ্ধি ঠিকমতো হতে পারে না। অপুষ্টি রোগ ঘরে ঘরে আশ্রয় নেয়। তাই এখানকার মানুষ খর্বকায়। এদের গড় দৈর্ঘ্য চার ফুটেরও কম। ফারহানা মাহমুদ তন্বী

স্টার ফিশেরও আছে দেখার ক্ষমতা

এতদিন ধারণা ছিল স্টার ফিশ দেখতে পারে না। তবে সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করলেন স্টার ফিশ দেখতে পারে না ধারণাটি ভুল। সামুদ্রিক প্রাণী স্টার ফিশও দেখতে পারে।
স্টার মিশ বাংলাতে তারা মাছ নামে পরিচিত। মাছ বললেও এটি আসলে মাছ নয়। সাধারণত এটির ৫টি বাহু থাকে। তবে কিছু প্রজাতি পাওয়া গেছে যাদের ৪০ টির মত বাহুও দেখতে পাওয়া যায়। স্টার ফিশ এর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে এর যে কোন বাহু দুর্ঘটনাক্রমে দেহ বিচ্যুত হলে নতুন করে বাহু তৈরি হয়। সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপার বিচ্যুত বাহুটিও নতুন একটি স্টার ফিশ এ রূপান্তরিত হতে পারে। দেহাংশ বিচ্যুত ঘটলে স্টার ফিশ এর স্নায়ুতন্ত্র কার্যকর থাকে। যার কারণেই পুর্নগঠন সম্ভব হয়।
স্টার ফিশ কিভাবে দেখতে পারে তা সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন আরো মজার তথ্য। স্টার ফিশের চোখ আছে এবং তা পায়ের শেষে অবস্থিত। চোখগুলো যৌগিক ধরণের এবং শক্তিশালী নয়। মাত্র ৪ মিটার দূরত্বের দৃশ্য এই চোখ দিয়ে দেখতে পারে এটি। শক্তিশালী চোখ না হবার কারণে দ্রুত গতির কোন কিছু এই চোখ শনাক্ত করতে পারে না। স্টার ফিশ বর্ণান্ধ। রঙ শনাক্ত করা স্টার ফিশের সাধারণ চোখ দিয়ে সম্ভব না। স্টার ফিশ সামুদ্রিক পরিবেশে তার খাবার খুজে পেতে ব্যবহার করে। শত্রু প্রাণী দ্বারা যাতে আক্রান্ত না হয় সেজন্যও চোখ ভূমিকা রাখে।

সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে বসবাস

একঘেয়ে জীবন থেকে সরে যেতে ভ্রমণের দিকেই ঝুঁকে থাকেন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষ। ছোট পরিসরে কেউ বনভোজন করেন, কেউ দেশের সীমানা পেরিয়ে বেড়াতে যান নান্দনিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে। তবে এ তালিকায় সংযুক্ত হয়েছে দুর্গম স্থানে বসবাস। মানুষ আসলে চেনা প্রকৃতি থেকে বেরিয়ে মিশতে চায় নতুন আবহাওয়ায়। গবেষকদের বিশ্লেষণে এমনটাই বেরিয়ে এসেছে। জীবনকে উপভোগের জন্য যত প্রতিকূল পরিবেশে মানুষ ভ্রমণে গিয়েছে ততই আমোদ লাভ করেছে বলেই বেরিয়ে আসে এই গবেষণায়। এ জন্য প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর এবং দুর্গম স্থানগুলোর দিকে আগ্রহ বেশি মানুষের। একঘেয়েমি কাটাতে সবচেয়ে বেশি পছন্দের জায়গা হিসেবে রয়েছে ভিন্ন সংস্কৃতির কোনো সমাজে বসবাস। বরফে আচ্ছাদিত হোক কিংবা ধূ-ধূ মরুপ্রান্তরে যেখানে সভ্যতার আধুনিক প্রযুক্তির রাজত্ব নেই সে জায়গাগুলোর প্রতিই মানুষের আকর্ষণ বেশি। মৃত্যুর আগে একেবারেই ভিন্ন পরিবেশে বসবাস করা এই সাধ পূরণ না হলে জীবনটা যেন অসম্পূর্ণই থেকে যাবে।

পিঁপড়া

পিঁপড়াকে ক্ষুদ্র প্রাণী মানা হলেও কখনো কখনো এই ক্ষুদ্র প্রাণীটিই আবার হয়ে উঠতে পারে জীবননাশের কারণ। এমনই একটি পিঁপড়াকে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পিঁপড়া যেটি পাওয়া যায় অস্ট্রেলিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে। এর নাম বুলডগ অ্যান্ট। এই পিঁপড়াটি যখন কাউকে আক্রমণ করে তখন এটি একই সঙ্গে হুল এবং চোয়াল সমান তালে ব্যবহার করে। ১৯৩৬ সাল থেকে শুরু করে বুলডগ পিঁপড়ার কামড়ে মারা গেছেন ৩ জন এবং সর্বশেষ ১৯৮৮ সালে এর আক্রমণের শিকার হয়েছেন ভিক্টোরিয়ান এক কৃষক। আক্রমণের হিংস্রতা এবং শিকারির দিকে স্থির সংকল্পের কারণেই মূলত এর নাম বুলডগ অ্যান্ট। এই পিঁপড়াটি পুরোপুরি আক্রমণাত্দক এবং মানুষকে আক্রমণের সময় বিভিন্নভাবে ভয় দেখায়। কয়েকবার সফলভাবে হুল ফুটানোর পরে মানবশরীরে এটি আক্রমণের জায়গায় বিষ প্রয়োগ করে এবং তার কামড় দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী করে। এর হুলগুলো খুবই ধারালো এবং খাজ কাটা। এর আক্রমণে কোনো পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির মৃত্যুর মুখে পতিত হতে ১৫ মিনিট সময়ই যথেষ্ট। এদের চোখ অন্য সাধারণ পিঁপড়াদের থেকে একটু বেশি বড়। এর দৃষ্টিসীমা ১ মিটার পর্যন্ত। এদের শারীরিক মাপ প্রায় ৪০ মিমি (দৈর্ঘ্য)। এরা সাধারণত ফুলের মধু খেয়েই বাঁচে। এরা মূলত এক রানীর নেতৃত্বে সঙ্গবদ্ধ থাকে। পরবর্তীতে কোনো নতুন বুলডগ অ্যান্ট রানীকে মেরে নিজেই নেতৃত্ব দেয়।

লাভায় গড়া গ্রহ!

এই মহাবিশ্বে আমাদের পৃথিবী-সদৃশ বিভিন্ন গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকেরা। এবার মার্কিন গবেষকেরা জানালেন যে, তাঁরা পৃথিবী সদৃশ লাভার তৈরি একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি অনলাইন।

বিজ্ঞানীরা আমাদের এই মহাবিশ্বে প্রায় পৃথিবীর সমান ভর ও ঘনত্ববিশিষ্ট যে লাভা দিয়ে তৈরি গ্রহটির খোঁজ পেয়েছেন তা পৃথিবী থেকে ৪০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থান করছে। এ গ্রহটি আমাদের সৌরজগতের মতো একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
গবেষকেরা এ লাভা গ্রহের নাম দিয়েছেন ‘কেপলার ৭৮বি’। তাঁরা বলছেন, ‘কেপলার ৭৮বি’ নামের এ লাভা গ্রহটির সঙ্গে পৃথিবীর গঠনেও মিল রয়েছে। এ গ্রহটি আমাদের পৃথিবীর মতো লোহা ও পাথুরে উপাদানে গঠিত।
‘নেচার’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে এই গ্রহ সম্পর্কিত গবেষণা নিবন্ধ। নাসার কেপলার টেলিস্কোপের সাহায্যে এই গ্রহটির খোঁজ পেয়েছেন গবেষকেরা। এটি মাতৃ-তারার খুব কাছে থাকায় এর পৃষ্ঠের তাপমাত্রা অনেক বেশি, প্রায় দুই হাজার ৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। এত তাপমাত্রার কারণে গ্রহটির বাইরের দিকটি একটি লাভার স্তরে আবৃত। গবেষকেরা তাই একে লাভা গ্রহ বলছেন।

সৌরজগতের বাইরের আবহাওয়া

মার্কিন বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো সৌরজগতের বাইরের একটি গ্রহের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছেন। জিজেওয়ানটুওয়ানফোরবি নামের গ্রহটি ৪০ আলোকবর্ষ দূরের একটি ‘লোহিত বামন’ নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে। আর পৃথিবীর চেয়ে ২ দশমিক ৭ গুণ বড় আকারের ওই গ্রহের তাপমাত্রা প্রায় ২৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শক্তিশালী দূরবীক্ষণযন্ত্রের (হাবল স্পেস টেলিস্কোপ) পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, ভবিষ্যতে দীর্ঘ সময় ধরে সেখানকার পরিবেশ মেঘাচ্ছন্ন ও উষ্ণ থাকতে পারে। গ্রহটির চারপাশের মেঘরাশি কিসের তৈরি, তা এখনো অজানা। তবে সম্ভবত পটাশিয়াম ক্লোরাইড বা জিংক সালফাইডের ধুলা থেকেই সেই মেঘ তৈরি হয়েছে। গবেষকেরা এখন প্রায় নিশ্চিত যে ওই গ্রহের জলবায়ু উষ্ণ এবং স্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন—অনেকটা আমাদের সৌরজগতের শুক্র গ্রহের অনুরূপ। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিদ জ্যাকব বিনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ-সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রতিবেদন নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। টেলিগ্রাফ।

সুত্র:----- পত্রিকা থেকে সংগৃহিত।

কিভাবে এলো ইংরেজি সাতটি বারের নাম?

কিভাবে এলো ইংরেজি সাতটি বারের নাম?

ইংরেজি সাত বারের নাম কিভাবে এলো তা হয়তো আজও আমাদের অনেকের অজানা। এ অজানা কাহিনীগুলো আজ আমরা জানব।

১. শনিবার(Saturday): রোমানরা মনে করত ‘স্যাটান’ নামক দেবতা আবহাওয়া, কৃষি ও বৃষ্টি নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব পালন করেন, তাকে সন্তুষ্ট করার জন্য তারা একটি দিনের নাম দেয় ‘স্যাটান ডেইজ’, যা বর্তমানে ‘Saturday’(শনিবার) নামে পরিচিত।

২. রবিবার(Sunday): প্রাচীনকালে দক্ষিণ ইউরোপের লোকেরা ভাবত একজন দেবতা প্রতিদিন আকাশে আলোর বল আকেঁন। এই আলোর বলের ল্যাটিন নাম সলিছ। এই ‘সলিছ’ নাম থেকে কালক্রমে ‘ডেইস সলিছ’ বা আলোর বলের নাম এলো। উত্তর ইউরোপে ‘ডেইস সলিছ’ কে ‘সানেন ডেইজ’ বলা হতো এবং এই ‘সানেন ডেইজ’ থেকেই কালক্রমে ‘Sunday’(রবিবার) শব্দের উৎপত্তি।

৩. সোমবার(Monday): দক্ষিণ ইউরোপীয়রা আকাশে রাতে রুপালি বল দেখে এর নাম দেয় ‘লুনা’ এবং একটি দিনের নাম দেয় ‘লুনা ডেইজ’। এই ‘লুনা ডেইজ’ শব্দটি উত্তর ইউরোপের লোকেরা উচ্চারণ করত ‘মোনান ডেইজ’ এবং তা থেকে ধীরে ধীরে ‘Monday’(সোমবার) শব্দের উদ্ভব ঘটে।

৪. মঙ্গলবার(Tuesday): প্রাচীনকালে বিশ্বাস ছিল ‘টিউ’ নামে একজন বুদ্ধ দেবতা যুদ্ধে শহীদদের আত্মাকে একদল মহিলা কর্মীর সাহায্যে সুন্দর বিশ্রামস্থলে নেন। এই নেওয়ার কাজ তিনি যেদিন করতেন সেদিন নাম হয় ‘টুইজ ডেইজ’ যা পরে ‘Tuesday’(মঙ্গলবার) হয়।

৫.বুধবার(Wednesday): উত্তর ইউরোপীয়রা মনে করত দেবতা ‘উডেন’ লম্বা টুপি মাথায় দিয়ে সর্বত্র ঘুরতেন এবং তার কাঁদে দুটো কাল পাখি বসে থাকত। কিন্তু তিনি দুর্ঘটনাবশত একটি চোখ হারান। এরপর তার কাঁদের পাখিরা রাতে পৃথিবীতে কী কী ঘটছে তা দেখত এবং সকালে সব ‘উডেনকে’ জানাত। এই শক্তিশালী দেবতার জন্য সপ্তাহের একটি দিন উৎসর্গ করা হয় এবং এই দিনের নাম রাখা হয় ‘ওয়েনড ডেইজ’ যা পরে ‘Wednesday’(বুধবার) নামে পরিচিত।

৬.বৃহস্পতিবার(Thursday): প্রাচীনকালে মানুষ ভাবত ‘থর’ নামক দেবতা রেগে গেলে আকাশে বিশাল এক হাতুড়ি মারতেন, যা থেকে আলো চমকাত এবং এই সময় নিজে ছাগলচালিত এক গাড়িতে বসে থাকতেন। এই আলো হলো ‘বিদ্যুৎচমক’ তার গাড়িল চাকার শব্দই ‘বজ্রপাত’। এই থরের প্রতি সপ্তাহের একটি দিন উৎসর্গ করা হয় এবং সেই দিনটির নাম রাখা হয় ‘থোর্স ডেইজ’,যা বর্তমানে 'Thursday' (বৃহস্পতিবার)।

৭.শুক্রবার(Friday): দেবতা ‘উডেন’ এর স্ত্রী ‘ফ্লিগ’ ছিলেন ভালোবাসা ও বিয়ের দেবী। তার প্রতি উৎসর্গকৃত দিনের নাম করা হয় ‘ফ্লিগ ডেইজ’ যা বর্তমানে ‘Friday’(শুক্রবার)।

---- তথ্যটি পত্রিকা থেকে নেয়া।

মহাকাশে গেল পিঁপড়া

এর আগে কুকুর, বানরসহ বিভিন্ন কীটপতঙ্গ মহাকাশ ভ্রমণ করে এসেছে। এবার মহাকাশ ভ্রমণে গেছে ৮০০ পিঁপড়া।
ভবিষ্যতে কী কখনও মহাকাশে পিঁপড়া কলোনি গড়ে তোলা সম্ভব হবে? অনেকের মনে এই প্রশ্ন উঠতে পারে। সম্প্রতি গবেষকেরা মহাকাশে ৮০০ পিঁপড়া পাঠানোর পর এ নিয়ে নতুন করে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।

গতকাল রোববার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে অবস্থানরত নভোচারীদের রসদসহ ৮০০ পিঁপড়ার ঝাঁকটি সেখানে পৌঁছেছে। মহাকাশে ভরশূন্য অবস্থায় পিঁপড়ার আচরণ কেমন হবে তা নিয়ে গবেষণার লক্ষে একঝাঁক পিঁপড়াকে মহাকাশে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার গবেষকেরা।

মোট আটটি পিঁপড়ার বাসায় ১০০ টি করে পিঁপড়া, ডোভস নামের ক্ষুদ্র কৃত্রিম উপগ্রহ ও অন্যান্য গবেষণা যন্ত্রপাতি নিয়ে ‘সিগনাস’ নামের দুই হাজার ৭৮০ পাউন্ড ওজনের কার্গোটি গত ৯ জানুয়ারি রওনা হয়েছিল। গত রোববার আন্তর্জাতিক স্টেশনে পৌঁছানোর পর বিশেষ রোবটিক বাহুর সাহায্যে সেগুলো সংগ্রহ করেছেন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের নভোচারীরা। এই ক্যাপসুলে নভোচারীদের জন্য বড়দিনের বিশেষ উপহারও গেছে পৃথিবী থেকে।

নাসার গবেষকেরা জানিয়েছেন, মহাকাশ স্টেশনের ভরশূন্য পরিবেশে পিঁপড়ার আচরণ নিয়ে গবেষণা করা হবে। বিজ্ঞানী এবং শিক্ষার্থীরা পৃথিবী থেকে এ গবেষণাটি পর্যবেক্ষণ করবে। তারা আশা করছেন, এ গবেষণার মাধ্যমে মাধ্যাকর্ষণ এবং প্রায় ভরশূন্য অবস্থার আচরণ থেকে অনেক নতুন তথ্য বের হয়ে আসবে।
পিঁপড়া ছাড়াও ভরশূন্য পরিবেশে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের কার্যকারিতাও পরীক্ষা করে দেখবেন গবেষকেরা।
 
Support : Creating Website | Johny Template | Mas Template
Copyright © 2011. অজানা বিশ্ব - All Rights Reserved
Template Created by Creating Website Published by Mas Template
Proudly powered by Blogger